Monday, 24 April 2017

3 unsolved mystery on earth( ৩ অমীমাংসিত রহস্য)





প্রকৃতির ধর্মই হল রহস্য সৃষ্টি করা। পৃথীবির ইতিহাস এ এমন কিছু বিষয় আছে যার রহস্য এখন পর্যন্ত সমাধান হয় নি। আমি আজ ঠিক সেই রকম কিছু রহস্য নিয়ে আলোচনা করব।

নাজকা রেখা (nazca lines)

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজকা মরুভূমিতে প্রায় ১৯০ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে আছে এই নাজকা রেখা। প্রত্নতত্ত্ববিদরা মনে করেন, মরুভূমির বুকে খোদাই করা এসব রেখা বয়সের দিক দিয়ে ইনকা সভ্যতার চেয়েও প্রাচীন_ অন্ততপক্ষে দেড় হাজার বছরের পুরনো। কিন্তু নাজকা জাতির লোকরা কেন, কোন উদ্দেশ্যে এত কষ্ট করে শত শত মাইলজুড়ে এসব রেখা এঁকেছিলেন সেটাই বোঝা যাচ্ছে না। স্বভাবতই, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এসব রেখা সম্পর্কে নানারকম গালগল্প ছড়িয়েছে; কেউ মনে করছেন, এটা ভিনগ্রহের আগন্তুকদের কাজ; আবার কেউ মনে করছেন, নাজকা জাতির লোকরা পানির উৎস নির্দেশ করতে মরুভূমির বুকে এসব রেখা এঁকেছিলেন। তবে যৌক্তিক ও বিজ্ঞানসম্মত কোনো ব্যাখ্যা না থাকায় নাজকা লাইন নিয়ে কল্পকাহিনী দিন দিন না কমে কেবল বেড়েই চলেছে।


এর মাঝে ১০০টির অধিক রেখা পুরোপুরি জ্যামিতিক রেখার সাদৃশ এবং আরো ৭০টির মত রেখা দ্বারা ফুল, পাখি, বাঁদর, মাকড়সা, মানুষের মাথা সহ বিভিন্ন প্রাণীর চিত্র আঁকা রয়েছে। এর মাঝে বৃহত্তম রেখাচিত্রটি প্রায় ২০০মিটার লম্বা। ১৯২৭ সালে, তোরিবিও মেহিয়া সিসপে নামক এক প্রত্নতাত্তিক ‘ফুটহিল’ পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে এই লাইন সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন। উল্লেখ্য যে, এই বিশালাকৃতির কারণে এই রেখাগুলো শুধুমাত্র আকাশপথ এবং ফুটহিল পাহাড়ের উপর থেকেই পরিষ্কারভাবে দেখা যায়।


এছাড়া,প্রত্নতত্ত্ববিদরা আরো মনে করেন, ৪০০ থেকে ৬৫০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এসব রেখা অঙ্কন করেছিলেন নাজকা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা। ভূ-উপরিতলস্থ মাটি, বালু ও নুড়িপাথরকে সরিয়ে অগভীর নালার মতো তৈরি করার ফলে বেরিয়ে এসেছে এসবের নিচে থাকা সাদাটে-ধূসর মাটি। আর এভাবেই কখনও এঁকেবেঁকে আবার কখনও জটিল সব নকশা তৈরি করে এগিয়ে গেছে নাজকা রেখা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নালাসদৃশ এসব রেখা চার ইঞ্চি থেকে ছয় ইঞ্চি পর্যন্ত গভীর। এগুলোর মধ্যে মাইলের পর মাইল বিস্তৃত সরলরেখা যেমন আছে, তেমনি আছে নানারকম পশুপাখি, যেমন_ হামিংবার্ড, মাকড়সা, বানর, মাছ, হাঙ্গর, গিরগিটি ইত্যাদির প্রতিকৃতিও। বাদ যায়নি মানুষ, লামা বা জাগুয়ারের মতো প্রাণীও। আছে জ্যামিতিক নানা নকশা, ফুল এবং বৃক্ষের প্রতিচ্ছবি। সবচেয়ে বড় প্রতিকৃতিগুলো ৬৫০ ফুটের মতো লম্বা।


আগেই বলা হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে মাইলের পর মাইল বিস্তৃত এসব নাজকা রেখা খনন করা হয়েছে তা নিয়ে নানারকম তত্ত্ব প্রচলিত আছে। বেশিরভাগ গবেষকই অবশ্য মনে করেন, এগুলোর তৈরির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ধর্মীয় কারণ জড়িত ছিল। কসোক ও রাইস যেমন জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত তত্ত্ব দিয়েছেন তেমনি দক্ষিণ আমেরিকার অন্যান্য অঞ্চলের সংস্কৃতির তুলনা টেনে অনেকে মনে করেন, ইংল্যান্ডের স্টোনহেঞ্জের মতোই ধর্মীয় মহাবিশ্বতত্ত্বের অংশ হিসেবেই এসব রেখা খোদাই করা হয়েছে।

স্টোনহেঞ্জ(Stonehenge)

যুক্তরাজ্যের ওয়াল্টশায়ার কাউন্টিতে বিশাল সমতল ভূমিতে খাড়া পাথরের তৈরি এক বিস্ময়কর স্থাপনা রয়েছে। এটি ‘স্টোনহেঞ্জ’ নামে পরিচিত।স্টোনহেঞ্জ বানানোর ক্ষেত্রে মানা হয়েছে জ্যামিতিক নিয়ম। প্রায় ১৩ ফুট উচ্চতার ধূসর বর্ণের পাথরগুলোকে বিন্যস্ত করা হয়েছে জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্যে। পাথরগুলো কাটাও হয়েছে বিশেষ কায়দায়। বড়গুলো কাটা হয় অনেকটা আয়াতাকার আকৃতি করে, তারপর এর উপর অপেক্ষাকৃত ছোটগুলিকে বসানোর জন্য এদের গায়ে বিশেষ খাঁজ কাটা হয়। খাড়া পাথরের উচ্চতা ৪.১ মিটার, প্রস্থ ২.১ মিটার, ওজন ২৫ টন। ওপরের গুলো ৩.২ মিটার লম্বা, ১ মিটার প্রস্থ ও ০.৮ মিটার পুরু। বৃত্তের ভিতর ৫ টি বিশালাকার, অনেকটা ঘোড়ার পায়ের আকৃতি বিশিষ্ট(ইউ আকৃতির) খাড়া পাথরের উপর ১০ টি পাথরখণ্ড উত্তরমুখী করে বসানো। পাথরের সারির মাঝে মাঝে নীল পাথরের স্তম্ভগুলি অবস্থিত যা বৃত্তাকার পথটিকে পূর্ণ করে। অনেক পাথরের গায়ে কুঠার, নানা খনন যন্ত্রের ছাপও দেখা যায়। ধারণা করা হয় ব্রোঞ্জ যুগের পর আঁকা হয় এগুলো।


১৭০০ শতাব্দীর ঐতিহাসিকেরা দাবী করেছিলেন, কেল্টিক ধর্মযাজকরাই স্টোনহেঞ্জ নির্মান করেছে। এই ধর্মযাজকদের বলা হয় ড্রুয়িদ। অসম্ভব রহস্যময় এই যাজকদের অলৌকিক নানা শক্তি ছিল। তবে তাঁদের নিয়ে তেমন কোনো তথ্য ছিল না কারও কাছেই। সে সময়ের স্থাপত্যবিদ ইনিগো জোনস বললেন, এই কাজ রোমানদের ছাড়া আর কারো না। প্রত্নতাত্ত্বিক ইলিয়ট স্মিথের মতে অবশ্য স্টোনহেঞ্জ নির্মাণের কৃতিত্ব মিসরীয় বা ফিনিশীয়দের।


 ১৮০৮ সালে ইংরেজ প্রত্ন সংগ্রাহক স্যার রিচার্ড কোল্ট হোয়ার 
স্টোনহেঞ্জের চারপাশের প্রাচীন কবরগুলো থেকে ব্রোঞ্জের অস্ত্রশস্ত্র, সোনার অলংকারসহ হাড়ের স্তূপ খুঁজে পান। তখন ধারণা করা হয় এটা আসলে ধর্মশালা না, এটা সমাধি স্থল। হাড়, অলংকার, অস্ত্রশস্ত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিশেষজ্ঞরা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে এই নির্মাণ বহিরাগতদের করা। আবার কেউ বললেন, মাইসিনে যোদ্ধারা স্থানীয় বাসিন্দাদের দিয়ে বানিয়ে নিয়েছেন স্টোনহেঞ্জ। তবে কার্বন-১৪ ডেটিং পদ্ধতি দ্বারা প্রমাণিত হয়, স্টোনহেঞ্জ বানানো হয়েছে মাইসেনিয়ান যুদ্ধের ৫০০ বছর আগে। এত মত! একেক জনের একেক কথা! কারটা মানবেন? মানা, না মানা পরের কথা; আগে শুনেন বিষয়টা। তো ঐতিহাসিকরা গবেষণা করে বের করলো তিন ধাপে নির্মিত হয়েছে স্টোনহেঞ্জ। প্রথম ধাপ প্রাগৈতিহাসিক যুগের চেয়ে এক হাজার বছর আগের। দ্বিতীয় ধাপটি দুই হাজার খ্রিস্টপূর্বাব্দের। আর শেষটি ১৯০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের।

তবে কার্বন-১৪ ডেটিং পদ্ধতি দ্বারা প্রমাণিত হয়, স্টোনহেঞ্জ বানানো হয়েছে মাইসেনিয়ান যুদ্ধের ৫০০ বছর আগে।


ধারণা করা হয়, স্টোনহেঞ্জকে হয়তো একটি পবিত্র স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ১৭৪০ সালে উইলিয়াম স্টুকলে একে ড্রুয়িদদের প্রার্থনার ঘর হিসেবে উল্লেখ করেন। ১৮৪০ সালে এডওয়ার্ড ডিউক একে শনি গ্রহের কক্ষপথের সঙ্গে তুলনা করেন। বহু বিশেষজ্ঞ একে প্রাচীন জাদুর কেন্দ্র হিসেবেও বর্ণনা করে গেছেন। ১৯০১ সালে স্যার নরম্যান লকার ও ১৯৬৩ সালে জেরাল্ড হকিনস একে কম্পিউটারের সঙ্গে তুলনা করেন! ২০০৮ সালে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা উল্লেখ করেন, এটি প্রাচীন একটি সমাধিস্থল। খ্রিষ্টের জন্মের তিন হাজার বছর আগে এর প্রথম খননকাজ শুরু হয়। এর পর থেকে ৫০০ বছর ধরে এখানে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও সমাধি করা হয়। অসাধারণ এ স্থাপত্যের বর্ণনা করার মতো গল্প এতটুকুই। আর কোনো প্রশ্নের উত্তর নেই বিশেষজ্ঞদের কাছে। ১৯৮৬ সালে ইউনেসকো একে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
সব মিলিয়ে দর্শনার্থীদের কাছে স্টোনহেঞ্জ অপার এক সৌন্দর্যের নাম। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের কাছে এখনো মাথা গুলিয়ে দেওয়া এক রহস্যের নাম স্টোনহেঞ্জ।


ভয়নিচ ম্যানুস্ক্রিপ্ট(voynich-manuscript)



রহস্যময় ভয়নিচ পান্ডুলিপি সম্পূর্ণ হাতে লেখা চিত্রসম্বলিত একটি গ্রন্থ যা কোন অজানা বর্ণমালায় রচিত। কার্বন ডেটিং পরীক্ষা করে জানা গেছে যে গ্রন্থটি ১৪০৪-১৪৩৮ সালের মাঝে কখনও রচিত হয়েছে। রচয়িতা সম্পুর্ণ অজ্ঞাত। ইতিহাসে এই গ্রন্থের রচয়িতা সম্পর্কে কোন তথ্য নেই। ধারণা করা হয় রেঁনেসার সময়ে ইতালীর উত্তরাংশে কোথাও এটি রচিত হয়ে থাকতে পারে। পোলিশ গ্রন্থ ব্যবসায়ী উইলফ্রিড মাইকেল ভয়নিচ ১৯১২ সালে গ্রন্থটি ক্রয় করেন। এরপর থেকেই রহস্যময় এই গ্রন্থটি ভয়নিচ মযানুস্ক্রিপ্ট নামেই পরিচিত। ভেলাম পার্চমেন্টের উপরে লেখা গ্রন্থটির কিছু পাতা কালের আবর্তে হারিয়ে গেলেও এখনও প্রায় ২৪০ টি পাতা অক্ষত আছে।


গ্রন্থটিতে প্রায় ১৭০,০০০ টি অক্ষর আছে আর শব্দসংখ্যা প্রায় ৩৫,০০০। শব্দের মধ্যে অক্ষর বিন্যাস গবেষকদের অবাক করেছে। কোন কোন অক্ষর শুধু প্রথমে, মাঝে বা শেষেই বসেছে। কিছু বিশেষ শব্দ শুধু বিশেষ কিছু পৃষ্ঠায় দেখা গেছে।  কখনও কখনও একি লাইনে এই শব্দের প্রয়োগ দুইবার বা তিনবারও দেখা গেছে। কোন কোন বিশেষ চিহ্নের বারংবার প্রয়োগ এই গ্রন্থের পাঠোদ্ধার কে আরো দুঃসাধ্য করে তুলেছে।


এখন পর্যন্ত বহু বিশেষজ্ঞ দ্বারা গ্রন্থটি পরীক্ষিত হয়েছে কিন্তু কারো দ্বারাই এর পাঠোদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। এমনকি ২য় বিশ্বযুদ্ধের দক্ষ ক্রিপ্টোগ্রাফারগণ ও হার মানতে বাধ্য হয়েছেন। বর্তমানে পান্ডুলিপিটি সংরক্ষিত আছে আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের বেইনেক লাইব্রেরীতে। ১৯৬৯ সালে হ্যান্স পি ক্রাউস গ্রন্থটি সেখানে উপহার হিসেবে দান করেন। বইটির ক্যাতালগ নাম্বার হল MS-408। লেখা এবং চিত্রাঙ্কনের ধরণ দেখে বোঝা যায় যে, এটি পালকের কলম দিয়ে লেখা এবং চিত্রাঙ্কনে লোহার আকরিক থেকে নির্মিত কালি ব্যবহৃত হয়েছে।


গ্রন্থের চিত্রাঙ্কন থেকে ধারণা করা হয় যে, গ্রন্থটিতে মোট ৬টি বিষয়ের সমাবেশ রয়েছে। প্রত্যেকাংশে চিত্রের সাথে বর্ণনা রয়েছে। গ্রন্থের শেষাংশে কোন চিত্র নেই বরং শুধু লেখা রয়েছে। যে যে বিষয়ের ব্ররণনা আছে বলে ধারনা করা হয় তা হল
১। লতাগুল্ম
২। জ্যোতিষ্ক/রাশি সংক্রান্ত
৩। জীববিদ্যা
৪। মানচিত্র
৫। চিকিৎসা/ওষধি বৃক্ষ সংক্রান্ত
৬। লৈখিক বর্ণনা


এই গ্রন্থের আদি উৎসের ইতিহার অজ্ঞাত। উইলফ্রিড ভয়েনিচ গ্রন্থটি কেনার পর এর ভেতর একটা চিঠি পান যা ১৬৬৬ সালে লেখা ছিল। চিঠিটা জোহান্স মার্কুস লেখেন অ্যাথানাসিয়াস কির্চার কে। ঐ চিঠিতে উল্লেখ ছিল, এই গ্রন্থ সম্রাট রুডলফ এর তত্ত্বাবধানে ছিল যা উনি ৬০০ ডুকাট স্বর্ণমূদ্রা দিয়ে ক্রন করেন যা প্রায় ২ কিলো ৭০ গ্রাম স্বর্ণের ওজনের সমান। পরে উনি গ্রন্থটি উনার উদ্ভিদ উদ্যানের প্রধান জ্যাকোবাস হর্সিকি দে টেপেনেজ কে প্রদান করেন। পরে এই গ্রন্থের স্বত্বাধিকারী হন, প্রেগ এর অন্যতম কেমিস্ট জর্জ ব্যারেশ। ব্যারেশের মৃত্যুর পর গ্রন্থটি তারই বন্ধু প্রেগের চার্লস ভার্সিটির রেক্টর জোহান্স মার্কুস মার্সির নিকটে। উনি কয়েক বছর পরে অ্যাথানাসিয়াস কির্চারের নিকট পাঠান এটার পাঠোদ্ধারের আশায়। কির্চার মিশরের হায়ারোগ্লিফিক ভাষার পাঠোদ্ধারের দাবীদার ছিলেন। জোহান্স একটি চিঠিতে তাঁকে অনুরোধ করেন গ্রন্থটির পাঠোদ্ধার করতে। এই চিঠিটাই পরে গ্রন্থের সাথে ভয়েনিচের হস্তগত হয়।


এর পরের প্রায় ২০০ বছরের ইতিহাস একেবারেই অন্ধকারের অন্তরালে রয়ে গেছে। ধারণা করা হয় কির্চারের তত্ত্বাবধানে এটা রোমানো কলেজ (বর্তমানে পন্টিফিসাল গ্রেগরিয়ান ইউনিভার্সিটি) এ রক্ষিত ছিল। ১৯১২ সালে রোমানো কলেজে অর্থসংকট দেখা দিলে কর্তৃপক্ষ এর কিছু জিনিস বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন যার মধ্যে এই রহস্যময় পান্ডুলিপিটিও ছিল। পরে ভয়েনিচ এটা ক্রয় করে নিলে উনার নালে এই পান্ডুলিপিটি পরিচিত হয়। এরপরে প্রায় ৭ বছর ধরে ভয়েনিচ নিজে এর পাঠোদ্ধারের প্রয়াস নেন এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের নজরে গ্রন্থটি আনার চেষ্টা করেন। ১৯৩০ সালে ভয়েনিচ মারা গেলে তার বিধবা স্ত্রী ইথেল ভয়েনিচ এই গ্রন্থের তত্ত্বাবধানে আসেন। ইথেল ১৯৬১ সালে মারা যাবার আগে তার বান্ধবী অ্যান নীলকে গ্রন্থটি দিয়ে যান। নীল পরে গ্রন্থটি হ্যান্স পি ক্রাউস এর নিকটে বিক্রি করে দেন। হ্যান্স পরে এই গ্রন্থের কোন ক্রেতা না পেয়ে তা ইয়েল ইউনিভার্সিটির সংগ্রহালয়ে দান করে দেন। বর্তমানে ভয়েনিচ ম্যানুস্ক্রিপ্ট সেখানেই আছে।

এমন আর কিছু অজানা রহস্য রয়েছে যা পরে আলোচনার চেষ্টা করব।

আজ আমি হয়তবা এই সব রহস্য নিয়ে লিখছি ।যার সমাধান হয়ত আমাদের এই সভ্যতার মানুষের নাই বা করতে সময় লাগবে বা হবেই নাহ এর সমাধান।কিন্তু হয়ত  বা ৩০০০ সালে বা আমাদের চেয়ে আধুনিক সভ্যতার মানুষ এর সমাধান করে হতবা ফেলবে।

আর তা আমার মত কেউ সেই সময় ব্লগ বা অন্য কিছুর মাধ্যমে জানাবে। তখন হয়ত আমি বা আমরা থাকব নাহ।

আর জানেন ত রহস্যর ধর্মই হল গোপন করা তা না হলে যে তা আর রহস্য থাকে নাহ।



লেখক

জ্ঞান অন্নেষী




তথ্য প্রপ্তিঃ ইন্টারনেট

No comments:

Post a Comment

চতুর্থ মাত্রায় ভ্রমণ - পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং

জগদ্বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং আজ বুধবার মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর ও আপেক্ষিকতা নিয়ে গবেষণার জন...