জীবনের প্রথম লিখা টি নিজের দেশ কে নিয়ে লিখছি . জানি আমার লিখা গুলো তে ভুল হবে . তবে জ্ঞান অন্নেষী হিসাবে লিখার কাজে হাত দিলাম.আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন a person who never made a mistake, never tried anything new.কথা টি কিন্তু আসলেও সত্য .তাই জ্ঞান এর অসীমত্বের মাঝে নগণ কিছু খোঁজার ছোট্ট একটি চেষ্টা মাত্র . ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন আমার এই ভুল গুলো .
এবার আসি মূল বিষয় এ, আগে বলি দেশ তা কি ?
এটা আমরা সবাই জানি কিন্তু আমি নিজের ভাষা তে বলি : একটি নির্দিষ্ট সীমানা এর ভিতরে নির্দিষ্ট নিয়ম, সত্তা , ভাষা ,বর্ণ , ধর্ম ও অপুরূপ সুন্দর্যের সমারোহের মাঝে বসবাস করি মানুষ ও বস্তু জগৎ নিয়ে যে ভূখণ্ড তাকেই দেশ বলতে পারি।
এখন আসি আমার দেশ নিয়ে কিছু বলতে , আমার দেশ বলতে আমি বুঝি যে দেশ আমার নিজের, যেথায় মোর জম্ম ভূমি ,যে দেশ মোর দিয়েছে বাঁচার পরিবেশ সুন্দর প্রকৃতি আর দিয়েছে আপন করে নিবার মতো ভালোবাসা আর এই হলো আমার দেশ বাংলাদেশ।দুঃখ ,দারিদ, হাসি ,কান্না সুখ, সব কিছু নিয়ে আমার এই দেশ ।ছোট্ট এক দেশ পারিয়া এসেছে অনেক বাধা যা সবারই জানা ,
মহান এক যুদ্ধের ফলে এসেছে এক স্বাধীনতা, যার পিছনে রয়েছে হাজারো মানুষের প্রাণ ,সম্মান ,কষ্ট ,ত্যাগ ,উদারতা ,সহযোগিতা আরো না বলা অনেক কিছু ।
এত কিছুর পর পেয়েছি আমার ছোট্ট সুন্দর এই দেশটা কে ।
এখন কিছু তথ্য দেয়া যাক, কি বলেন ..
জানি তথ্য গুলো সবাই জানা বা যেকোনো সময় তা বের করা যায় কিন্তু নিজের দেশ সম্পর্ক কে কিছু বলতে গেলে এসব তো লাগবেই
আয়তন ও সীমা
আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ; উত্তরে ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়; পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং সেই সঙ্গে মায়ানমার; এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। আন্তর্জাতিক স্থলসীমার দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৪০০ কিমি; এর মধ্যে ৯২ শতাংশ ভারতের সঙ্গে এবং বাকি ৮ শতাংশ মায়ানমারের সঙ্গে। উপকূলীয় সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪৮৩ কিলোমিটারের অধিক। ভূখন্ডগত সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল (২২.২২ কিমি) এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০.৪০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
তথ্য প্রাপ্তি (বাংলা পিডিয়া )
এছাড়া আরো যোগ করছি
বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
সংক্ষিপ্ত তথ্য
সরকারি নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
রাজধানী ঢাকা।
সরকার সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা; রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
ভূ-প্রকৃতি
বাংলদেশ পলল গঠিত একটি আর্দ্র আঞ্চল। বাংলাদেশের ভূখন্ড মূলত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীগঠিত সুবৃহৎ বদ্বীপের সমন্বয়ে সৃষ্ট। বঙ্গীয় বদ্বীপ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বদ্বীপগুলোর একটি। এই বিস্তৃত সমতল ভূমির মধ্যে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছে দেশের মধ্য-অঞ্চলের মধুপুর গড়, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি এবং উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত কিছু পর্বতসারি। দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ ভূমিই সমুদ্র সমতল থেকে মাত্র তিন মিটারের চাইতেও কম উঁচু এবং প্রতিনিয়ত বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত হয়। সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ‘বিজয়’ (তাজিং ডং)-এর উচ্চতা ১,২৮০ মিটার এবং এটি রাঙ্গামাটি জেলার সাইচল পর্বতসারির অন্তর্ভূক্ত। তথ্য প্রাপ্তি (বাংলা পিডিয়া )
নদীমালা প্রধান নদীগুলোর শাখা ও উপনদীসহ মোট প্রায় ৭০০ নদী রয়েছে। এই নদীগুলো আবার তিনটি বৃহৎ নদীপ্রণালীর অন্তর্ভুক্ত: গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীপ্রণালী ও সুরমা-মেঘনা নদীপ্রণালী। দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের পাহাড়ী এলাকার নদীগুলো সামগ্রিকভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদীপ্রণালী হিসেবে চিহ্নিত। গঙ্গা, পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, সুরমা, কুশিয়ারা, মেঘনা, কর্ণফুলি, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, আড়িয়াল খাঁ, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তিস্তা, আত্রাই, গড়াই, মধুমতি, কপোতাক্ষ, রূপসা-পসুর, ফেনী ইত্যাদি অন্যতম প্রধান নদী।
তথ্য প্রাপ্তি (বাংলা পিডিয়া )
কোনো এক জাগাতে পরে ছিলাম ''দেশ কে চিনতে হলে দেশ কে ঘুরে দেখো ''
আমাদের দেশের কিছু জাগার কথা বলি এবার ।
প্রত্নস্থান
পাহাড়পুর: জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। এলাকাটি নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার অন্তর্গত; মহাস্থান: বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার উত্তরে বগুড়া সদর ও শিবগঞ্জ উভয় উপজেলায় আংশিকভাবে অন্তর্ভুক্ত; ভাসু বিহার: বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত বিহার গ্রামের উত্তর দিকে, মহাস্থান থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং নাগর নদী থেকে ৫০০ মিটার পশ্চিমে অবস্থিত; ময়নামতি: কুমিল্লা শহরের প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত; হলুদ বিহার: পাহাড়পুর বৌদ্ধমঠ থেকে ১৪.৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, মহাস্থান থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং নওগাঁ জেলাশহর থেকে ১৮ কিলোমিটার উত্তরে বদলগাছি থানার বিলাসবাড়ি ইউনিয়নে তুলসীগঙ্গা এবং যমুনা নদীর মাঝখানে অবস্থিত; সীতাকোট বিহার: দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত; ওয়ারী-বটেশ্বর: নরসিংদী জেলার বেলাব থানা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।
পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী), সুন্দরবন (খুলনা)। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উভয় দৃশ্যই অবলোকন করা যায়।
আমার দেশ সম্পর্কে লিখতে গেল হয়ে তো বা আরো কিছু লিখা যাবে ,,,কি বলুন তো আমাদের দেশ টাই এমন.
আসুন দেশ কে জানি , দেশ কে চিনি ,দেশ কে ভালোবাসি .
লেখক
জ্ঞান অন্নেষী
এবার আসি মূল বিষয় এ, আগে বলি দেশ তা কি ?
এটা আমরা সবাই জানি কিন্তু আমি নিজের ভাষা তে বলি : একটি নির্দিষ্ট সীমানা এর ভিতরে নির্দিষ্ট নিয়ম, সত্তা , ভাষা ,বর্ণ , ধর্ম ও অপুরূপ সুন্দর্যের সমারোহের মাঝে বসবাস করি মানুষ ও বস্তু জগৎ নিয়ে যে ভূখণ্ড তাকেই দেশ বলতে পারি।
এখন আসি আমার দেশ নিয়ে কিছু বলতে , আমার দেশ বলতে আমি বুঝি যে দেশ আমার নিজের, যেথায় মোর জম্ম ভূমি ,যে দেশ মোর দিয়েছে বাঁচার পরিবেশ সুন্দর প্রকৃতি আর দিয়েছে আপন করে নিবার মতো ভালোবাসা আর এই হলো আমার দেশ বাংলাদেশ।দুঃখ ,দারিদ, হাসি ,কান্না সুখ, সব কিছু নিয়ে আমার এই দেশ ।ছোট্ট এক দেশ পারিয়া এসেছে অনেক বাধা যা সবারই জানা ,
মহান এক যুদ্ধের ফলে এসেছে এক স্বাধীনতা, যার পিছনে রয়েছে হাজারো মানুষের প্রাণ ,সম্মান ,কষ্ট ,ত্যাগ ,উদারতা ,সহযোগিতা আরো না বলা অনেক কিছু ।
এত কিছুর পর পেয়েছি আমার ছোট্ট সুন্দর এই দেশটা কে ।
এখন কিছু তথ্য দেয়া যাক, কি বলেন ..
জানি তথ্য গুলো সবাই জানা বা যেকোনো সময় তা বের করা যায় কিন্তু নিজের দেশ সম্পর্ক কে কিছু বলতে গেলে এসব তো লাগবেই
আয়তন ও সীমা
আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ; উত্তরে ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়; পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং সেই সঙ্গে মায়ানমার; এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। আন্তর্জাতিক স্থলসীমার দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৪০০ কিমি; এর মধ্যে ৯২ শতাংশ ভারতের সঙ্গে এবং বাকি ৮ শতাংশ মায়ানমারের সঙ্গে। উপকূলীয় সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪৮৩ কিলোমিটারের অধিক। ভূখন্ডগত সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল (২২.২২ কিমি) এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০.৪০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
তথ্য প্রাপ্তি (বাংলা পিডিয়া )
এছাড়া আরো যোগ করছি
বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
সংক্ষিপ্ত তথ্য
সরকারি নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
রাজধানী ঢাকা।
সরকার সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা; রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রধানমন্ত্রী সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
ভূ-প্রকৃতি
বাংলদেশ পলল গঠিত একটি আর্দ্র আঞ্চল। বাংলাদেশের ভূখন্ড মূলত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীগঠিত সুবৃহৎ বদ্বীপের সমন্বয়ে সৃষ্ট। বঙ্গীয় বদ্বীপ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বদ্বীপগুলোর একটি। এই বিস্তৃত সমতল ভূমির মধ্যে বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছে দেশের মধ্য-অঞ্চলের মধুপুর গড়, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি এবং উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত কিছু পর্বতসারি। দেশের প্রায় ৭৫ শতাংশ ভূমিই সমুদ্র সমতল থেকে মাত্র তিন মিটারের চাইতেও কম উঁচু এবং প্রতিনিয়ত বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত হয়। সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ‘বিজয়’ (তাজিং ডং)-এর উচ্চতা ১,২৮০ মিটার এবং এটি রাঙ্গামাটি জেলার সাইচল পর্বতসারির অন্তর্ভূক্ত। তথ্য প্রাপ্তি (বাংলা পিডিয়া )
নদীমালা প্রধান নদীগুলোর শাখা ও উপনদীসহ মোট প্রায় ৭০০ নদী রয়েছে। এই নদীগুলো আবার তিনটি বৃহৎ নদীপ্রণালীর অন্তর্ভুক্ত: গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীপ্রণালী ও সুরমা-মেঘনা নদীপ্রণালী। দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের পাহাড়ী এলাকার নদীগুলো সামগ্রিকভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদীপ্রণালী হিসেবে চিহ্নিত। গঙ্গা, পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, সুরমা, কুশিয়ারা, মেঘনা, কর্ণফুলি, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, আড়িয়াল খাঁ, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তিস্তা, আত্রাই, গড়াই, মধুমতি, কপোতাক্ষ, রূপসা-পসুর, ফেনী ইত্যাদি অন্যতম প্রধান নদী।
তথ্য প্রাপ্তি (বাংলা পিডিয়া )
কোনো এক জাগাতে পরে ছিলাম ''দেশ কে চিনতে হলে দেশ কে ঘুরে দেখো ''
আমাদের দেশের কিছু জাগার কথা বলি এবার ।
প্রত্নস্থান
পাহাড়পুর: জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। এলাকাটি নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার অন্তর্গত; মহাস্থান: বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার উত্তরে বগুড়া সদর ও শিবগঞ্জ উভয় উপজেলায় আংশিকভাবে অন্তর্ভুক্ত; ভাসু বিহার: বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত বিহার গ্রামের উত্তর দিকে, মহাস্থান থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং নাগর নদী থেকে ৫০০ মিটার পশ্চিমে অবস্থিত; ময়নামতি: কুমিল্লা শহরের প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত; হলুদ বিহার: পাহাড়পুর বৌদ্ধমঠ থেকে ১৪.৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, মহাস্থান থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং নওগাঁ জেলাশহর থেকে ১৮ কিলোমিটার উত্তরে বদলগাছি থানার বিলাসবাড়ি ইউনিয়নে তুলসীগঙ্গা এবং যমুনা নদীর মাঝখানে অবস্থিত; সীতাকোট বিহার: দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত; ওয়ারী-বটেশ্বর: নরসিংদী জেলার বেলাব থানা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।
পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী), সুন্দরবন (খুলনা)। কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উভয় দৃশ্যই অবলোকন করা যায়।
আমার দেশ সম্পর্কে লিখতে গেল হয়ে তো বা আরো কিছু লিখা যাবে ,,,কি বলুন তো আমাদের দেশ টাই এমন.
আসুন দেশ কে জানি , দেশ কে চিনি ,দেশ কে ভালোবাসি .
লেখক
জ্ঞান অন্নেষী

good job. i wish Allah bales you
ReplyDelete